বাবার আদর্শ নিয়ে চরকাজলের জনগণের পাশে থাকতে চান এম এ কাইয়ুম মাহমুদ।বাবার আদর্শ নিয়ে চরকাজলের জনগণের পাশে থাকতে চান এম এ কাইয়ুম মাহমুদ। – দৈনিক গণ আওযাজ
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০২:৪৬ পূর্বাহ্ন

বাবার আদর্শ নিয়ে চরকাজলের জনগণের পাশে থাকতে চান এম এ কাইয়ুম মাহমুদ।

পটুয়াখালী প্রতিনিধি/২৩বার পড়া হয়েছে
আপডেট :সোমবার, ৯ নভেম্বর, ২০২০

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার চরকাজল একটি দ্বীপ ইউনিয়ন। গলাচিপা উপজেলার মধ্যে আওয়ামী লীগের অন্যতম ঘাটি এ ইউনিয়ন। এখানে আওয়ামিলীগ প্রতিষ্ঠা ও নৌকার ঘাঁটি করতে যুদ্ধ ও সংগ্রাম করতে হয়েছে। যাদের সংগ্রাম ও ত্যাগের ফলে আজ চরকাজল ইউনিয়ন নৌকার ঘাঁটি হয়েছে তাদের একজন ছিলেন মরহুম আঃমালেক মাষ্টার। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন খাঁটি সৈনিক হিসেবে আন্দোলন,সংগ্রামে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন রাজনীতির মাঠ।রাজনীতির মাঠে নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে তিনি ১৮ বছর চরকাজল ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। সদস্য ছিলেন গলাচিপা উপজেলা আওয়ামিলীগের ও সফল চেয়ারম্যান ছিলেন চরকাজল ইউনিয়নের।

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে তিনি সরাসরি যুক্ত হয়ে কাজ করেছেন। সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন কে আলি কলেজ, চরকাজল দাখিল মাদ্রাসা,চরকাজল মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন মসজিদ,স্কুল, মাদ্রাসার। তিনি ছিলেন চরকাজল ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ এর নিবেদিত প্রান ও ত্যাগী প্রবীণ নেতা।দলের জন্য জীবন,যৌবন সব হারিয়েছে তবুও দলের বাহিরে যান নি কখনো।২০০১ সালে যখন বিএনপি জামায়াত ক্ষমতায় ছিল তখন ২০০৩-০৪ চরকাজল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বিপুল পরিমাণ ভোটে জয়ী হয়েও সে গেজেট পাননি চেয়ারম্যান হতে পারেন নি।তিন মাস গেজেট বন্ধ ছিল। তখন বিএনপি ক্ষমতাসীন নেতারা ভুয়া গেজেট দিয়ে আলী আহমেদ কে চেয়ারম্যান বানায়।কারন সে তখন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আওয়ামিলীগ এর রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। কাজ করেছেন জনগনের কল্যানের জন্য, এলাকার উন্নয়ন এর জন্য,এলাকার জনগনের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। তার স্বপ্ন ছিল আর একবার চেয়ারম্যান হয়ে চরকাজল ইউনিয়ন এর মানুষের পাশে থেকে আধুনিক ও উন্নত চরকাজলে রূপান্তরিত করার।কে জানে যে তার স্বপ্ন পূরণ হবে না, আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পৃথিবীকে বিদায় জানাতে হবে।
বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এ সৈনিক এম এ কাইয়ুম মাহমুদ ও মাহমুদা রিয়াদ এক ছেলে ও মেয়ে রেখে গেছেন।তারা তাদের বাবার আদর্শ নিয়ে বড় হযেছেন এবং বাবার দেখানো পথেই হাটছেন।মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এলাকার জনগন চায় যোগ্য পিতার যোগ্য সন্তান এম এ কাইয়ুম মাহমুদ বাবার স্বপ্ন বাস্তব করুক ও সুখে দুঃখে এলাকার জনগনের পাশে থাকুক।এটা চরকাজল ইউনিয়নের জনগনের প্রানের দাবি। এম এ কাইয়ুম মাহমুদ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমাদের জানান,আমি আওয়ামিলীগ পরিবারের সন্তান।আমি দেশের বাহিরে আওয়ামিলীগের সংগঠন এর সাথে জড়িত। চরকাজল ইউনিয়নের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন এর জন্য পাশে থেকে আমার বাবা আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।বাবা ছিলেন চরকাজল ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ এর প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন খাঁটি সৈনিক। আমি দীর্ঘদিন যাবত দেশের বাহিরে থেকেও চরকাজল এর মানুষের জন্য কল্যান মূলক কাজ করে চলছি এবং ভবিষ্যতেও করে যাব ইনশাআল্লাহ। জনগন আমাকে চায় আমি যাতে চেয়ারম্যান হয়ে বাবার আদর্শ নিয়ে বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করি।যদি মমতাময়ী নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ত্যাগীদের মূল্যায়ন করে,বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নেতাদের মূল্যায়ন করে বাবার শূন্য জায়গায় আমাকে নৌকা প্রতিক দেয় তাহলে আমি চরকাজল ইউনিয়ন এর মানুষের পাশে থেকে কাজ করবো।

ডিজিএ/এমডিজেএম/এমআরএ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর