সরকার সারা দেশে খাঁচায় মাছ চাষকে উৎসাহিত করছেন; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী।সরকার সারা দেশে খাঁচায় মাছ চাষকে উৎসাহিত করছেন; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী। – দৈনিক গণ আওযাজ
রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০৭:১৫ পূর্বাহ্ন

সরকার সারা দেশে খাঁচায় মাছ চাষকে উৎসাহিত করছেন; মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী।

গণ আওয়াজ ডেস্ক/৩১বার পড়া হয়েছে
আপডেট :শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২০

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘আমরা সারা দেশে খাঁচায় মাছ চাষকে উৎসাহিত করছি। আর ক্রিক ব্যবস্থাপনায় মৎস্য চাষ নিয়ে ইতোমধ্যে একনেকে পরিকল্পনা পাস হয়েছে।’ শনিবার রাঙামাটিতে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএফডিসি) কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপণন কেন্দ্রে হ্রদটি নিয়ে বিএফডিসির কার্যক্রম অবহিতকরণ সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তন শুধু দেশেই নয়, বহির্বিশ্বেও আমাদের সম্মান বৃদ্ধি করেছে। মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে, ইলিশ উৎপাদনে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে। তিনি মনে করেন দেশের বদ্ধ জলাশয় থেকে শুরু করে ছোট খাল, হাওর-বাওর, লেক, বিল সর্বত্রই মাছের চাষ হবে।’ মন্ত্রী আরও বলেন, ‘মৎস্য ব্যবস্থাপনাকে কীভাবে আরও উন্নত করা যায় সেটা সরেজমিনে দেখার জন্য আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছি। কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণ বন্ধকালে অতীতে কখনও মৎস্যজীবীদের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হতো না। এ বছর লেকে মৎস্য আহরণ বন্ধকালে মৎস্যজীবীদের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। আগামীতেও এটা অব্যাহত থাকবে।’ মন্ত্রী জানান, কাপ্তাই হ্রদে অতীতের চেয়ে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ১২ হাজার ৬০০ মেট্রিক টনের ঊর্ধ্বে এবার উৎপাদন হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে কাপ্তাই হ্রদে মাছের উৎপাদন ১৫ হাজার মেট্রিক টনের ঊর্ধ্বে চলে যাবে। এতে করে এ অঞ্চলের মানুষ যেমন মাছ পাবে, তাদের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূর্ণ হবে, এ মাছ দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিও আসবে। ‘আমাদের এখনকার লক্ষ্য কাপ্তাই হ্রদের ব্যবস্থাপনা। যাতে হ্রদের পরিবেশ দূষণ না হয়, অবৈধভাবে এখান থেকে মা মাছ বা পোনা মাছ যাতে কেউ ধরতে না পারে। আমরা পরিকল্পিতভাবে কাপ্তাই হ্রদকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করে এর ঐতিহ্য বাড়াব। মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করব,’ বলেন মন্ত্রী। রেজাউল করিম জানান, যে জাল দিয়ে মাছের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ছোট মাছ ধরা পড়ে, মাছের পোনা নষ্ট হয়- এ জাতীয় কোনো জাল দিয়ে মাছ ধরতে দেয়া হবে না। যারা অবৈধ জাল ব্যবহার করবে তাদের আইনের আওতায় আসতে হবে। মোবাইল কোর্টে তাদের সর্বনিম্ন সাজা হবে এক বছরের কারাদণ্ড। এমনকি জরিমানাও হতে পারে। এ ব্যাপারে সরকারের অবস্থান খুবই কঠোর। পরে কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এরপর তিনি রাঙামাটি জেলায় মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কার্যক্রম পরিদর্শন এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের রাঙামাটি নদী উপকেন্দ্রের গবেষণা অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় যোগ দেন।

ডিজিএ/এমডিজেম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর