বিনিয়োগ আকর্ষনে বিডার শক্তিশালী ভূমিকার তাগিদ জানিয়েছেন দেশের নীতি নির্ধারকরা।বিনিয়োগ আকর্ষনে বিডার শক্তিশালী ভূমিকার তাগিদ জানিয়েছেন দেশের নীতি নির্ধারকরা। – দৈনিক গণ আওযাজ
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

বিনিয়োগ আকর্ষনে বিডার শক্তিশালী ভূমিকার তাগিদ জানিয়েছেন দেশের নীতি নির্ধারকরা।

গণ আওয়াজ অনলাইন ডেস্ক/১৮৭বার পড়া হয়েছে
আপডেট :শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

গণ আওয়াজ অনলাইন ডেস্কঃ  বিনিয়োগ আকর্ষনে বিডার শক্তিশালী ভূমিকার তাগিদ জানিয়েছেন দেশের ব্যক্তি খাতের প্রতিনিধি ও নীতি নির্ধারকরা। গতকাল অনলাইন মাধ্যমে অনুষ্ঠিত বিডার চতুর্থ বর্ষপূর্তি উদযাপন ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের অনুষ্ঠানে এ তাগিদ জানান বক্তারা।

বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই’র সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক, ইউনিলিভার বাংলাদেশের সিইও-এমডি কেদার লেলে, গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী ইয়াসির আজমান, হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের সিইও ঝাং ঝেংজুন বক্তব্য রাখেন। সিরাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল এবং প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।

চার-পাঁচটি পণ্য নিয়ে রফতানি বাণিজ্য বাড়ানো যাবে না, রফতানি পণ্যে বৈচিত্র আনতে হবে এ মত জানানোর পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী বলেন, পরামর্শ এসেছে বিডার মতো আরেকটি প্রতিষ্ঠান করার জন্য। তারা উপদেশ দেবে কোন লাইনে প্রোডাক্ট ডাইভারসিফিকেশন করবো। আরেকটি প্রতিষ্ঠান না করে বিডা যদি আরেকটি উইং করে পৃথিবীর কোন কোন দেশ কীভাবে ডাইভারসিফিকেশন করছে তা দেখে সেসবের সঙ্গে সঙ্গতি করে করা যায়।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, পুরো বিশ্ব আমাদের মনে রাখতে হবে। ডেমগ্রাফিক ডিভিডেন্ট কাজে লাগাতে হবে। জনশক্তিকে কাজে লাগান। লোকাজ ইন্ডাস্ট্রিজের জন্য অবারিত দরজা খুলে রেখেছি। গত চার বছর ধরে বিডা আশার আলো দেখাচ্ছে। ফেল করার কোনও মানুষ এখন বিডায় সম্পৃক্ত নেই। আমরা অনেক কষ্ট করে এখানে এসেছি।

পৃথিবীতে এ মুহুর্তে জিডিপির আকার হচ্ছে ১৮ ট্রিলিয়ন ডলার, এর মধ্যে ৬০ শতাংশ হচ্ছে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ(এফডিআই) এমন তথ্য জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ভেরি আনফোরচুনেটলি এফডিআই পরিমাণ আমাদের কম। এফডিআই সবচেয়ে বেশি এনজয় করে যুক্তরাষ্ট্র, এরপর চীন এবং সিঙ্গাপুর ১০৫ ডিলিয়ন ডলার, ভারত ৫১ বিলিয়ন ডলার। বেশিরভাগ এফডিআই তাদের দখলে।

তিনি বলেন, আমাদের পুরোটা সম্পদ আমরা ব্যবহার করতে পারিনি, আমাদের সম্পদ জনশক্তি। সব জায়গায় ডিজিটালাইজ হচ্ছে। আমাদের জনশক্তি যদি যথাযথভাবে ব্যবহার করতে পারি, আমি বিশ্বাস করি এরাই হবে বড় শক্তি।’

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় বিনিয়োগের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি ২০৪১ সালের মধ্যে আমাদের উন্নত দেশ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। সে লক্ষ্য অর্জন করতে হলে আমাদের বিনিয়োগ আনতে হবে। শুধু বিদেশি না দেশি বিনিয়োগও আনতে হবে। দেশি বিনিয়োগ আসলেই বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আসবে। এজন্য বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে (বিডা) আরও শক্তিশালী করতে হবে।

সালমান এফ রহমান বলেন, বিডা যে কাজটি করেছে সেটা ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেসে’। আরও জরম্নরি হয়ে গেছে সেটা হলো ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস)। এটা যদি আমরা বাসত্মবায়ন করতে পারি তাহলে আমাদের বিনিয়োগকারী যারা আছেন তারা আগ্রহী হবেন। ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) ও ডিজিটালাইজেশনে আমরা অনেক দূর এগিয়ে গেছি। কিছু সমস্যা রয়েছে। সেগুলো সহজেই সমাধান করা যায়। কেননা ডিজিটালাইজেশন আমরা অনেকটা বাসত্মব করে ফেলেছি। এখন আমাদের সরকারি সেবাটা যদি অনলাইন সার্ভিস করে ফেলি তাহলে আরও অনেক দূর এগিয়ে যাবে। ইতোমধ্যে অনলাইনে রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে। আমাদের সমস্যা আছে। আমরা অনেক জায়গায় সফলতা পেয়েছি। ফলে যদি চাই অবশ্যই আমরা এটা করতে পারি। এখন যেখানে বাধাগ্রসত্ম হচ্ছি কারণ সেখানকার লোকজন বুঝে উঠতে পারেনি। তাদের মানসিকতা এখনও পরিবর্তন হয়নি।

 

 



বাংলাদেশ সময়ঃ ১০ঃ৩৭ এ.এম. সেপ্টেম্বর ০৪,২০২০



 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর