বাংলাদেশে কোভিড-19 ভ্যাকসিন ট্রায়ালের পদ্ধতিবাংলাদেশে কোভিড-19 ভ্যাকসিন ট্রায়ালের পদ্ধতি – দৈনিক গণ আওযাজ
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশে কোভিড-19 ভ্যাকসিন ট্রায়ালের পদ্ধতি

গণ আওয়াজ ডেস্ক/৮১৬বার পড়া হয়েছে
আপডেট :শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

অবশেষে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে চীনা কোম্পানির ভ্যাকসিন বাংলাদেশে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র বা আইসিডিডিআর,বি,  চীনা কোম্পানির টিকা বাংলাদেশে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ বা ট্রায়ালের কাজটি করবে।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, যারা নিজ থেকে এই চেষ্ট করতে আগ্রহী, তাদের মধ্যে চার হাজার দুইশ’ জন স্বাস্থ্যকর্মী বাছাই করে, কোভিড-১৯ এর চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত সাতটি হাসপাতালে তাদের এই ভ্যাকসিন পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হবে।

যত দ্রুত সম্ভব তা শুরু করার জন্য উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হয়েছে।

বাংলাদেশে ট্রায়ালের পদ্ধতি

আইসিডিডিআর,বি-র কর্মকর্তারা বলেছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেভাবে পরীক্ষা চালানো হয়েছে, সেই নিয়ম অনুসরণ করে বাংলাদেশের জন্য একটা পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।

যাদের ওপর ট্রায়াল চালানো হবে, তাদের একদলকে দেয়া হবে করোনাভাইরাস প্রতিষেধক উপাদানসহ আসল টিকা।

আরেকদলকে এমন কিছু দেয়া হবে, যাতে আসল টিকার কোন উপাদান থাকবে না (যেটাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় প্ল্যাসিবো বলা হয়)।

কিন্তু কাউকেই জানানো হবে না কাদের আসল টিকা আর কাদের প্ল্যাসিবো দেয়া হচ্ছে।

দুটি দলকেই পর্যবেক্ষণে রাখা হবে ছয় মাস।

এজন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি টেলিমেডিসিন ইউনিট ইতোমধ্যেই গঠন করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা তা চালু থাকবে।

ট্রায়ালে অংশ নেয়া দুই দলের প্রত্যেকের সাথে টেলিমিডিসিন ইউনিট নিয়মিত যোগাযোগ রাখবে। তাদেরকেও বলা হবে, তাদের শরীরে ছোট-বড় কোন সমস্যা দেখা দিলেই তা সেই ইউনিটকে সাথে সাথে জানিয়ে পরামর্শ নিতে হবে।

যাদের আসল টিকা দেয়া হবে এবং টিকার আসল উপাদান যাদের শরীরে প্রয়োগ করা হবে না- এই দুই দলের প্রত্যেকের শরীরে কী ধরনের প্রভাব পড়ছে-সে সব তথ্য নিয়ে প্রত্যেক সপ্তাহে পর্যালোচনা করা হবে। এবং এ ব্যাপারেও একটা বিশেষজ্ঞ কমিটি কাজ করবে।

এই বিশেষজ্ঞ কমিটির পর্যালোচনা রিপোর্টের মাধ্যমে টিকার কার্যকারিতার প্রশ্নে সিদ্ধান্ত আসবে।

কর্মকর্তারা বলেছেন, টিকা প্রয়োগ শুরু হওয়ার পর থেকে পর্যবেক্ষণের শেষ সময় পর্যন্ত-এই পুরো সময়কে গুরুত্ব দিয়ে অনেকগুলো বিশেষজ্ঞ কমিটি কাজ করবে। এই সময়ে অংশগ্রহণকারীদের শরীর নিরাপদে আছে কিনা- সেটাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে নজরদারিতে রাখা হবে।

 



বাংলাদেশ সময়ঃ ০১ঃ০৮ পি.এম. , আগস্ট ২৮,২০০



 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর