সম্পূর্ণ ভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাইলের সফল পরীক্ষামূলক উত্‍‌ক্ষেপণ করল ভারত।সম্পূর্ণ ভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাইলের সফল পরীক্ষামূলক উত্‍‌ক্ষেপণ করল ভারত। – দৈনিক গণ আওযাজ
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:৫৩ অপরাহ্ন

সম্পূর্ণ ভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি মিসাইলের সফল পরীক্ষামূলক উত্‍‌ক্ষেপণ করল ভারত।

গণ আওয়াজ ডেস্ক/১০২বার পড়া হয়েছে
আপডেট :বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২০

সম্পূর্ণ ভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তিনটি অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইলের (anti-tank guided missile) সফল পরীক্ষামূলক উত্‍‌ক্ষেপণ করল ভারত। ওডিশার চাঁদিপুর থেকে তিনটি পরীক্ষা চালানো হয় এই মিসাইলের। এই অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইলের নাম রাখা হয়েছে ধ্রুবাস্ত্র (Dhruvastra)।

বুধবার প্রতিরক্ষা সূত্রে এই কথা জানানো হয়েছে। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও (Defence Research and Development Organisation) এই অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল তৈরি করেছে। হেলিকপ্টার থেকে লঞ্চ করা যায় এই মিসাইল। গোটা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ট্যাংক ধ্বংসকারী অস্ত্রগুলির মধ্যে অন্যতম এই ধ্রুবাস্ত্র।

গত ১৫ জুলাই দু-বার এবং ১৬ জুলাই একবার পরীক্ষা চালানো এই অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইলের। তিনবারই পরীক্ষায় সফল হয়েছে ধ্রুবাস্ত্র। পরীক্ষায় তিনবারই সফল ভাবে টপ অ্যাটাক মোডে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে গিয়ে আঘাত হেনেছে এই মিসাইল। এই মিসাইলের পরীক্ষামূলক উত্‍‌ক্ষেপণের তথ্য় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একটি লঞ্চার থেকে পরীক্ষা চালানো হয় ধ্রুবাস্ত্রের।

ইতোমধ্যেই ভারতীয় সেনার হাতে থাকা ‘নাগ হেলিনা’ মিসাইলের হেলিকপ্টার ভার্সন হল ধ্রুবাস্ত্র। নাগ হেলিনা ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী সবচেয়ে শক্তিশালী মিসাইলগুলির মধ্যে একটি। এর পাল্লা ৫০০ মিটার থেকে ২০ কিলোমিটার। দিনে হোক বা রাতে, এই মিসাইল সঠিক নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম। এতে রয়েছে বিশেষ ধরনের বৈদ্যুতিন সেন্সর, যা শত্রুপক্ষের রাডারে ধরা পড়ে না চট করে। এই নাগ হেলিনার আরও পাঁচটি ভ্যারিয়ান্ট তৈরি হচ্ছে। ল্যান্ড ভার্সন, হেলিকপ্টার-লঞ্চড নাগ, ম্যান-পোর্টেবল ভার্সন, এয়ার-লঞ্চড ভার্সন ও নাগ মিসাইল ক্যারিয়ার।

ধ্রুবাস্ত্রর মধ্যে নাগ হেলিনার থেকেও আরও কিছু নতুন গুণাবলী সংযোজন করা হয়েছে। যেমন এটিকে আকাশ থেকে ছোঁড়া যায়। এর ফলে ধ্রুবাস্ত্র দিয়ে শত্রুর বাংকার, সশস্ত্র যান এবং যুদ্ধের ট্যাংক ধ্বংস করা যাবে। ট্রায়ালের সময় ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জের (Integrated Test Range) লঞ্চ প্যাড-৩র মাধ্যমে মাটি থেকে লঞ্চ করা হয় ধ্রুবাস্ত্র। উঁচু পার্বত্য অঞ্চল হোক বা সমতলভূমি, আবহাওয়ার যে কোনও পরিস্থিতি ও পরিবেশে শত্রু ট্যাঙ্ক ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। আকাশ থেকে ভূমিতে নিপুণ নিশানায় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

এই ক্ষেপণাস্ত্র বায়ুসেনার শক্তি আরও বাড়াবে বলে জানিয়েছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বা ডিআরডিও। তৃতীয় প্রজন্মের অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল নাগ হেলিনার হেলিকপ্টার ভার্সন হল ধ্রুবাস্ত্র।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর